মধুমতির ভাঙনে বিলীন হচ্ছে গাছপালা ঘরবাড়ি

August 26, 2017, 6:30 pm, By Tahsina Tabassum Shrabanti

post image

চিতলমারীতে মধুমতি নদীর ভাঙন দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। এতে প্রতিনিয়ত বিলীন হচ্ছে দোকানপাট, বসতবাড়ি, গাছপালা ও ফসলি জমি। গত ১৫ দিনের ভাঙনে উপজেলার মধুমতি-সংলগ্ন শৈলদাহ গ্রাম, আশপাশের অসংখ্য বসতবাড়ি, দোকানপাটসহ ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। অবিলম্বে নদীভাঙন রোধে স্থায়ী টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া ও কলাতলা ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মধুমতির ভাঙন দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। এ পর্যন্ত ভাঙনে পাঁচ শতাধিক পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পৈতৃক বসতবাড়ি হারিয়ে এখন বাঁচার তাগিদে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। আবার কেউ কেউ অন্যের বাড়িতে এবং ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে রাস্তার পাশে খাস জমিতে আশ্রয় নিচ্ছেন। এ ছাড়া বর্তমানে মধুমতির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া মোল্লাহাট ও চিতলমারী উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র ওয়াপদা বেড়িবাঁধের রাস্তাটির কিছু অংশ ভেঙে যাওয়ায় হুমকির মুখে রয়েছে অনেক বাড়িঘর। নদীভাঙন রোধে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছে এলাকাবাসী।

গত বৃহস্পতিবার বাগেরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন। ভাঙনকবলিত বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের বিধবা শরীফা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, বাপ-দাদারসহ আশপাশের প্রায় ৫০টি কবর ও অনেক মূল্যবান গাছপালা, ঘরবাড়ি এবং জায়গাজমি নদীভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে। এখন সর্বস্ব হারিয়ে পথে বসেছেন তারা। পরানপুর গ্রামের ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত আ. হাকিম মোল্লা, ইব্রাহিম মোল্লা, আশরাফ আলী শেখ, তৈয়াব আলী শেখ, জাফর ফকির, হারুন ফকির, টিটু খলিফা, আয়ুব আলী, শহিল শেখসহ অনেকেই জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নদীভাঙনে তাদের ঘরবাড়ি ক্ষেত-খামারসহ সব কিছু হারাতে হয়। চার-পাঁচবার বাড়িঘর সরিয়েও শেষ রক্ষা পাননি। গত মঙ্গলবার থেকে আবার নতুন করে ভাঙন শুরু হয়েছে এলাকায়।

এ ব্যাপারে বড়বাড়িয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাসুদ সরদার বলেন, কয়েধক বছর ধরে অব্যাহত নদীভাঙনে পরানপুর গ্রামের প্রায় ৫০০ পরিবার ঘরবাড়ি ও জমিজমা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। এই ভাঙন থেকে পরিত্রাণের জন্য তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

 

- See more at: http://www.dailyjanakantha.com/details/article/290331/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%80-%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%B2-%E0%A6%93%E0%A6%A0%E0%A6%BE-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%B8%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A4%E0%A6%BE#sthash.7hwqiy1e.dpuf

This post has been read 428 times.

Please login for submit a comment!

















© Md. Shahar Ali-2018






Facebook Twitter LinkedIn GooglePlus